পাবনার সুজানগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে এই ঘটনা নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল দুজনে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার গোলাগুলির এ ঘটনায় চায়না খাতুন নামে এক নারী নিহত হন।
নিহত মুনছুর খাঁ (৬০) সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল শেখের ছেলে।
সুজানগর থানার ওসি মো. ফইম উদ্দিন বলেন, বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুনছুর খাঁ মারা গেছেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১২ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাফিউল ইসলাম রাজা গ্রুপের সঙ্গে মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা গ্রামের বিএনপি সমর্থক ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। রোববার রাতে দুই পক্ষের ছেলেদের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। পরে সোমবার সকালে ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে এলাকায় জড়ো হচ্ছিল। এমন সময় রাজা গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঁটা, অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের উপরে হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ ও বাড়ি ভাঙচুর করে। গুলিতে গৃহবধূ চায়না খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া গুরুতর আহত ১০ জনকে উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মুনছুর খাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
